আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় লক্ষ্মীপুর জেলার ব্যবসা।
লক্ষ্মীপুর জেলার ব্যবসা:-

লক্ষ্মীপুর জেলা বাংলাদেশের অন্য জেলার তুলনায় ভৌগলিক অবস্থানের কারনে এখানে তেমন শিল্প গড়ে ওঠেনি। যোগাগোগ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় Infrustructure এর অভাবে এ জেলার শিল্প বিকাশে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। বর্তমানে এখানে প্লাষ্টিক, মোম, জুতা , আলকাতরা ইত্যাদি ক্ষুদ্র শিল্প গড়ে উঠছে। এখানকার বেশীরভাগ (প্রায় ৮০%)লোক মৎস্য জীবি, তাই এখানে কিছু বরফকল গড়ে ওঠেছে।
শিল্প কারখানার দিক দিয়ে লক্ষ্মীপুর অতীতকাল থেকেই অবহেলিত এবং অনগ্রসর। জন সম্পদে এ জেলার ঐতিহ্য থাকলেও শিল্প সহাপনে সরকারী ও বেসরকারী তেমন কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে। এ জেলারই বহু অধিবাসী দেশের বিভিন্ন সহানে বড় বড় শিল্পকারখানা সহাপন করেছেন। অথচ এ জেলার জনগণ কাজের খোঁজে দেশ-বিদেশে হন্য হয়ে বেড়াচ্ছে। এত অনীহা এবং অবহেলা সত্তেবও কিছু শিল্প কারখানা স্থাপিত হয়েছে।

ত্রয়োদশ শতাব্দীতে লক্ষ্মীপুর ভুলুয়া রাজ্যের অধীন ছিল। মুঘল ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে লক্ষ্মীপুরে একটি সামরিক স্থাপনা ছিল। ষোড়শ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত এ এলাকায় প্রচুর পরিমাণে লবণ উৎপন্ন হত এবং বাইরে রপ্তানি হত। লবণের কারণে এখানে লবণ বিপ্লব ঘটে।
স্বদেশী আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরবাসী স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে। এ সময় মহাত্মা গান্ধি এ অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তখন প্রায়ই কাফিলাতলি আখড়া ও রামগঞ্জের শ্রীরামপুর রাজবাড়ীতে অবস্থান করতেন। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২৬ সালের জুন মাসে লক্ষ্মীপুর সফরে আসেন।

আরও পড়ুনঃ
